মেনু নির্বাচন করুন
জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস,যশোর। মন্ত্রনালয়ের নাম- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ঢাকা । প্রধান দপ্তর- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো, কাকরাইল, ঢাকা । আওতাধীন অফিস/জেলা- মাগুরা ও নড়াইল জেলা । দপ্তর প্রধানের পদবী- সহকারী পরিচালক ।

সাধারণ তথ্য

সাংগঠনিক কাঠামো

কর্মকর্তাবৃন্দ

ছবিনামপদবিফোনমোবাইলইমেইল
রাহেনুর ইসলামসহকারী পরিচালক০৪২১-৬৬৯১৬০১৯১১-৯৩১৪৩১rahinure97@gmail.com

কর্মচারীবৃন্দ

প্রকল্পসমূহ

যোগাযোগ

প্রধান কর্মকর্তার পদবীঃ সহকারী পরিচালক

অফিসের নামঃ জেলাকর্মসংস্থানওজনশক্তিঅফিস

পত্র যোগাযোগের ঠিকানাঃ      জেলাকর্মসংস্থানওজনশক্তিঅফিস

            সেক্টরনং-০২,  প্ল­­টনং-৬৪, হোল্ডিংনং-০৫

            ঢাকারোড, নিউমার্কেট, যশোর।

 

ফোনঃ ০৪২১-৬৬৯১৬

ইমেইলঃ demojessore@bmet.org.bd

 

প্রধান বাস বা রেল স্টেশন থেকে রিক্সা অথবা ইজি বাইক যোগে নিউ মার্কেট উপশহর ক্লাবের সামনে আসতে হবে।

কী সেবা কীভাবে পাবেন

ক্রমিক

নং

                   সেবার নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা / কর্মচারী

সংক্ষিপ্ত সেবা প্রদান পদ্ধতি

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময় ও খরচ

সংশ্লিষ্ট আইন-কানুন

/ বিধি-বিধান/  নীতিমালা

নির্দিষ্ট সেবা পেতে ব্যর্থ  হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা

০১

ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্বলিত স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে বহির্গমণ ছাড়পত্র প্রদান

১. মহা-পরিচালক

২. পরিচালক (বহির্গমন)

৩.উপ-পরিচালক (বহির্গমন)

৪.সহকারী-পরিচালক (বহির্গমন)

৫.সংশ্লিষ্ট অন্যান্য

বিদেশগামী কর্মীদের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে নাম নিবন্ধনপূর্বক ফিঙ্গারপ্রিন্ট এনরোলমেন্ট করা হয়। কর্মীদের গন্তব্য দেশের বিভিন্ন বিষয়ে ব্রিফিং প্রদান করা হয়। অত:পর বহির্গমন ছাড়পত্রের জন্য কর্মীবৃন্দ আবেদন করেন। আবেদন  প্রাপ্তির পর কর্মীদের ভিসার সঠিকতা যাচাই, নিয়োগকর্তার সাথে সম্পাদিত চুক্তিপত্র, অঙ্গীকারনামা যাচাই শেষে বহির্গমন অনুমোদন করা হয় এবং স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে বহির্গমন ছাড়পত্র প্রদান করা হয়।

সর্বোচ্চ ৩ তিন দিন; ২৫০/- - 2750/-  টাকা

১. বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

২. মানব পাচার নিরোধ আইন ২০১২

3.বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন-২০১৩

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

০২

বিদেশগামী কর্মীদের অনলাইনে (www.bmet.gov.bd) নাম নিবন্ধন ।

অনলাইন নিবন্ধন চালু আছে     

বিদেশগামী কর্মীদের অন লাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে দাখিল করতে হয়। কর্মীদের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে নাম নিবন্ধনপূর্বক নিবন্ধন পত্র প্রদান করা হয়। ওয়েব সাইটের মাধ্যমে যে কোন বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মী অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।

সবোর্চ্চ ০১ ঘন্টা; 150/-

 

 

১. বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

২. মানব পাচার নিরোধ আইন ২০১২

3.বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন-২০১৩

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

০৩

বৈদেশিক কর্মসংস্থান

(রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশে কর্মী প্রেরণ)

১. মহা-পরিচালক

২. পরিচালক

৩.উপ-পরিচালক ৪.সহকারী-পরিচালক

৫.সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ

ডিইএমও হতে বিদেশগামী কর্মীদের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে নাম নিবন্ধন পূর্বক ফিঙ্গারপ্রিন্ট এনরোলমেন্ট করা হয়।.গন্তব্য দেশের বিভিন্ন বিষয়ে ব্রিফিং প্রদান। বহির্গমন ছাড়পত্রের আবেদন প্রাপ্তির পর কর্মীদের ভিসার সঠিকতা যাচাই, নিযোগকর্তার সাথে সম্পাদিত চুক্তিপত্র, অঙ্গীকারনামা যাচাই শেষে বহির্গমন অনুমোদনপূর্বক স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে বহির্গমন ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। এছাড়া গন্তব্য দেশের বিভিন্ন বিষয়ে ব্রিফিং প্রদান করা হয়।

১ (এক ) মাস হতে 03 মাস পর্যন্ত; সর্বনিম্ন ১০০০০ টাকা হতে সবোর্চ্চ ৮৪,০০০/-  পর্যন্ত।

১.বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

২. মানব পাচার নিরোধ আইন ২০১২

3.বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন-2013

 

 

 

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

০৪

বিদেশগামী কর্মীদের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে নাম নিবন্ধন

১. সহকারী-পরিচালক

২. ডাটাবেজ নেটওয়ার্ক কর্মকর্তা

৩. সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ (ডিইএমও)

বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিবন্ধনের বিষয়ে অবহিতকরণ করা হয়। আগ্রহী কর্মীবৃন্দ অন লাইনে আবেদন ফরম পূরণপূর্বক দাখিল করেন। বিদেশগমনেচ্ছু কর্মীদের সঠিক ভাবে নিবন্ধন  করার পর ডাটেবজে সংরক্ষণ করা হয়। সাথে সাথে নিবন্ধনকৃত কর্মীদের বৈদেশিক চাকুরি সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা হয়।

সর্বোচ্চ ৩ দিন; 150-২৫০  টাকা

 

3. বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন-২০১৩

২. বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

৩. মানব পাচার নিরোধ আইন ২০১২

৪. বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬

 

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

০৫

জিটুজি পদ্ধতিতে সরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ

১. মহাপরিচালক

২. সহকারী পরিচালক

৩. ডাটাবেজ করার সাথে সম্পৃক্ত কর্মর্তা/কর্মচারী

বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিবন্ধনের বিষয়ে অবহিতকরণ করা হয়। কর্মীবৃন্দ অন লাইনে আবেদন ফরম পূরণ ও দাখিল করেন। ইউনিয়ন, পৌরসভা,সিটি কর্পোরেশন ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র এবং  জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের মাধ্যমে  বিদেশগামী কর্মীদের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে নাম নিবন্ধন করা হয়। নিবন্ধিত কর্মীদের বাছাই করে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে মালয়েশিয়ায়  ফিংগার ইমপ্রেশন, পাসপোর্ট ও ছবি সম্বলিত ডাটা প্রেরণ করা হয়ে থাকে।  মালয়েশিয়া সরকার হতে ভিসা উইথ রেফারেন্স প্রাপ্তির পর কর্মীদের এসএমএস ও টেলিফোনের মাধ্যমে  অবহিত করে পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ করতে বলা হয়। মালয়েশিয়া দূতাবাস হতে ভিসা স্ট্যাম্পিং এবং স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে বহির্গমন ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের  এসএমএস ও টেলিফোনের মাধ্যমে ফ্লাইট সিডিউল  অবহিত করা হয়।   মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের  ব্রিফিং শেষে বিএমইটির অফিসারসহ মালয়েশিয়ায় পৌছানো নিশ্চিত করা হয়।

১ -৬ মাস পর্যন্ত; জিটুজি পদ্ধতিতে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণে অভিবাসন ব্যয় ২৮,৫০০-৩১৫০০/-

১. বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

২. মানব পাচার নিরোধ আইন ২০১২

3. বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন-২০১৩

 

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

০৬

বিদেশগামী কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা

১. মহা-পরিচালক

২. পরিচালক (প্রশিক্ষণ)

৩.উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ)

৪. সহকারী-পরিচালক (প্রশিক্ষণ)

৫. সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ (প্রশিক্ষণ)

বিদেশগামী নিবন্ধিত কর্মীদের প্রায় ৪৫ টি বৃত্তিমূলক ট্রেডে স্বল্প ও মধ্য মেয়াদী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। ০২ বছর মেয়াদী এসএসসি ভোকেশনাল কোর্স, ০৬ মাস মেয়াদী গার্মেন্টস ও কম্পিউটার কোর্স এবং ০৪ বছর মেয়াদী মেরিন ডিপ্লোমা কোর্স প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

 

 

১. ৭দিন থেকে ২১ দিন

২. ১ মাস থেকে ৬ মাস।

২. ১বছর থেকে ৪ বছর; 300/-  - 18000/- টাকা

 

১. বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

২. মানব পাচার নিরোধ আইন ২০১২

৩. শিক্ষানবীসি অ্যাক্ট-১৯৬২

৪. বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬

 

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

০৭

অনলাইন অভিযোগ (www.ovijogbmet.org) গ্রহণ নিষ্পত্তি

১. মহা-পরিচালক

২. পরিচালক (কর্মসংস্থান)

৩.উপ-পরিচালক (কর্মসংস্থান)

অন লাইনে বা সরাসরি ডিইএমও কিংবা বিএমইটিতে অভিযোগ দাখিল করতে হয়। অনলাইনে বা  সরাসরি প্রাপ্ত অভিযোগ প্রাথমিক যাচাই শেষে অভিযোগ তদন্তে তদন্ত কমিটি গঠণ এবং সেবাগ্রহীতাকে অবহিত করা হয়। তদন্ত বা অনধিক ০৩ (তিন) টি শুনানি শেষে অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়। প্রতিষ্ঠিত অভিযোগের ক্ষেত্রে সেবাগ্রহীতাকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

সর্বোচ্চ ৩ মাস; ১। বিনা ফি-তে অভিযোগকারীদের অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করা হয়।

২। রিক্রুটিং লাইসেন্স

১. বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

২. রিক্রুটিং এজেন্টস আচরণ বিধিমালা-২০০২

৪.বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন-২০১৩

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

০৮

রিক্রুটিং এজেন্সীর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ, লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন কার্যক্রম

১. মহা-পরিচালক

২. পরিচালক (কর্মসংস্থান)

৩. উপ-পরিচালক (কর্মসংস্থান)

৪.সহকারী-পরিচালক (কর্মসংস্থান)

৫. সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ (কর্মসংস্থান)

রিক্রুটিং এজেন্সীকে লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়নের জন্য নির্ধারিত ফরম পূরণপূর্বক বিএমইটিতে আবেদনপত্র  দাখিল করতে হয়। আবেদনপত্র প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ ও রিক্রুটিং এজেন্সীকে অবহিত করা হয়। তদন্ত কর্মকতা কর্তৃক রিক্রুটিং এজেন্সী অফিস পরিদর্শ পূর্বক পরিদর্শন প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরিদর্শন প্রতিবেদনসহ পরবর্তী কার্যার্থে রিক্রুটিং এজেন্সির আবেদনপত্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। মন্ত্রণালয়ের উচ্চ-পর্যায়ের কমিটি কর্তৃক  লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন বা বাতিলের  সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। মন্ত্রণালয় বা বিএমইটি কর্তৃক সেবাগ্রহীতাকে অবহিত করা হয়ে থাকে।

০৩ থেকে ০৬ মাস; প্রাপ্তি/নবায়নের ক্ষেত্রে-

ক) জামানত        -১৫ লক্ষ টাকা

খ) কল্যাণ তহবিল-   ১ লক্ষ টাকা

গ)  নবায়ন ফি     - ৪০ হাজার টাকা

১. বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

২. রিক্রুটিং এজেন্টস আচরণ বিধিমালা-২০০২

৩. বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন-২০১৩৪. মানব পাচার নিরোধ আইন ২০১২

 

 

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

০৯

বিদেশে মৃত প্রবাসী কর্মীদের লাশ দেশে ফেরত আনাসহ বকেয়া ও ক্ষতিপূরণ আদায় এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান

১. মহা-পরিচালক

২. পরিচালক (কল্যাণ)

৩. উপ-পরিচালক (কল্যাণ)

৪.সহকারী-পরিচালক (কল্যাণ)

৫. সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ (কল্যাণ)

বিদেশে কর্মরত অবস্থায় কোন কর্মী মৃত্যু বরণ করলে সে দেশে বাংলাদেশী দূতাবাসের মাধ্যমে লাশ বাংলাদেশে প্রেরণের ব্যবস্থা করা হয়। সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে কর্মীর বকেয়া পাওনা এবং নিয়োগের চুক্তি/শর্ত অনুযায়ী ক্ষতি পূরণ আদায়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় এবং প্রাপ্য অর্থ মৃত কর্মীর অভিভাবকদের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

 

পরিস্থিতি অনুযায়ী লাশ আনার জন্য   ১-৫ দিন এবং নিয়োগের শর্ত/চুক্তি অনুযায়ী ক্ষতি পূরণের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়  

 

কল্যাণ  বিধিমালা-২০০২

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

১০

বিদেশে আটেক পড়া বাংলাদেশী কর্মীদের দেশে ফেরত আনা।

১. মহা-পরিচালক

২. পরিচালক (কল্যাণ)

৩. উপ-পরিচালক(কল্যাণ)

৪.সহকারী-পরিচালক(ডিএমও)

৫. সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ(কল্যাণ ও (ডিএমও)

 

বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসের মাধ্যমে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আত্মীয় স্বজনদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান/ সংস্থার মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরত আনার ব্যবস্থা করা হয়।

 

৭দিন থেকে ০৩ মাস।

নাই

1. কল্যাণ  বিধিমালা-২০০২

১. বর্হিগমন অধ্যাদেশ-১৯৮২ ও বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

২. মানব পাচার নিরোধ আইন ২০১২

৩. বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬

৪.বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন-২০১৩

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

১১

বিমানবন্দরে বিদেশগামী কর্মীদের নিরাপদে বিদেশ গমন ও প্রত্যাগমনে সহায়তা প্রদান

৪.সহকারী-পরিচালক

(বিমান বন্দর)

৫. সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ (কল্যাণ ও বিমান বন্দর)

 

 

বিমানবন্দরে বিদেশগামী কর্মীদের নিরাপদে বিদেশ গমন ও প্রত্যাগমনে জন্য এবং যথাযথ ভাবে কর্মে নিয়োজিত হওয়ার জন্য পূর্বেই সার্বিক বিষয়ে ব্রিফিং প্রদান করা হয়। অধিকন্তু সরকারি ভাবে যখন কর্মী বিদেশে যায় আ বিদেশ থেকে দেশে আসে তখন বিমানবন্দরে গিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হয়।

 

 

1 w`b; নাই

1. কল্যাণ  বিধিমালা-২০০২

১. বর্হিগমন অধ্যাদেশ-১৯৮২ ও বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

২. মানব পাচার নিরোধ আইন ২০১২

৩. বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬

৪.বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন-২০১৩

 

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

১২

প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য শিক্ষা-বৃত্তি প্রদান

১. মহা-পরিচালক

২. পরিচালক (কল্যাণ)

৩. উপ-পরিচালক (কল্যাণ)

৪.সহকারী-পরিচালক (ডিএমও)

৫. সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ(কল্যাণ ও (ডিএমও)

 

 

বিজ্ঞপ্তি প্রচারের মাধ্যমে আবেদন আহবান করা হয়।  প্রবাসী কর্মীদের সন্তান কর্তৃক সংশ্লিষ্ট জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে শিক্ষাবৃত্তির আবেদন দাখিল করতে হয়।  সংশ্লিষ্ট জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে বিএমইটিতে প্রেরণ করে থাকে। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড কর্তৃক শিক্ষাবৃত্তির আবেদন অনুমোদন এবং আবেদনকারীদের অবহিত করা হয় এবং শিক্ষা বৃত্তির অর্থ প্রদান করা হয়।

 

১। সর্বোচ্চ ০৩ মাস।

নাই

1. কল্যাণ  বিধিমালা-২০০২

১. বর্হিগমন অধ্যাদেশ-১৯৮২ ও বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

২. মানব পাচার নিরোধ আইন ২০১২

৩. বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬

৪.বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন-২০১৩

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

১৩

মোবাইল ফোনে ‘প্রবাসী কর্মী সেবা’ কার্যক্রম। ( বাংলালিংক ২২৩৩) 

বাংলালিংক কর্তৃপক্ষ

ফোন কল সেবা (বাংলালিংক ২২৩৩) 

তাৎক্ষণিক; কলচার্জ অনুযায়ী

1. কল্যাণ  বিধিমালা-২০০২

১. বর্হিগমন অধ্যাদেশ-১৯৮২ ও বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

২. মানব পাচার নিরোধ আইন ২০১২

৩. বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬

৪.বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন-২০১৩

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

১৪

ওয়ান স্টপ সার্ভিস

(ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্বলিত স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে বহির্গমন ছাড়পত্র প্রদান)

১. মহা-পরিচালক

২. পরিচালক (বহির্গমন)

৩.উপ-পরিচালক (বহির্গমন)

৪.সহকারী-পরিচালক (বহির্গমন)

৫.সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ (বহির্গমন)

বিদেশগামী কর্মীদের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে নাম নিবন্ধন করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এনরোলমেন্ট করা হয়। কর্মীদের গন্তব্য দেশের বিভিন্ন বিষয়ে ব্রিফিং প্রদান করা হয়। বহির্গমন ছাড়পত্রের আবেদন প্রাপ্তির পর কর্মীদের ভিসার সঠিকতা যাচাই, নিযোগকর্তার সাথে সম্পাদিত চুক্তিপত্র, অঙ্গীকারনামা যাচাই শেষে বহির্গমন অনুমোদন দেয়া হয় এবং স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে বহির্গমন ছাড়পত্র প্রদান করা হয়ে থাকে।

সর্বোচ্চ ৩ তিন দিন; ২৫০ টাকা থেকে 2750  টাকা।

১. বর্হিগমন অধ্যাদেশ-১৯৮২ ও বর্হিগমন বিধিমালা-২০০২

২. মানব পাচার নিরোধ আইন ২০১২

৩.বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন-২০১৩

মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

প্রদেয় সেবাসমূহের তালিকা

সেবা ক্রমিক নং

সেবার নাম

সেবার পর্যায়

(অধিদপ্তর/ জেলা)

১।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্বলিত স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে বহির্গমণ ছাড়পত্র প্রদান

অধিদপ্তর (বিএমইটি)

২।

বিদেশগামী কর্মীদের অনলাইনে (www.bmet.gov.bd) নাম নিবন্ধন ও টেলিটক মোবাইলের মাধ্যামে ফি প্রদান

অধিদপ্তর/জেলা পর্যায়ে/দেশব্যাপী

৩।

বিদেশগামী কর্মীদের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে নাম নিবন্ধন

জেলা/অধিদপ্তর (বিএমইটি)

৪।

বিদেশগামী কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা

জেলা

৫।

জিটুজি পদ্ধতিতে সরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ

অধিদপ্তর/জেলা /দেশব্যাপী

৬।

অভিযোগ (www.ovijogbmet.org) গ্রহণ ও নিষ্পত্তি

অধিদপ্তর/জেলা

৭।

রিক্রুটিং এজেন্সীর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ, লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন কার্যক্রম

অধিদপ্তর

৮।

বিদেশে মৃত প্রবাসী কর্মীদের লাশ দেশে ফেরত আনাসহ বকেয়া ও ক্ষতিপূরণ আদায় এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান

অধিদপ্তর (বিএমইটি)/জেলা

৯।

বিদেশে আটেক পড়া বাংলাদেশী কর্মীদের দেশে ফেরত আনা

অধিদপ্তর /জেলা

১০।

প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য শিক্ষা-বৃত্তি প্রদান

অধিদপ্তর/জেলা

১১।

মোবাইল ফোনে ‘প্রবাসী কর্মী সেবা’ কার্যক্রম। (বাংলালিংক ২২৩৩) 

দেশব্যাপী

১২।

ওয়ান স্টপ সার্ভিস

অধিদপ্তর (বিএমইটি)

১৩।

নারী অভিবাসী কর্মীদের তথ্য প্রদান

অধিদপ্তর (বিএমইটি)/জেলা

১৪।

বিদেশগামী কর্মীদের বিদেশ গমনের পূর্বে গন্তব্য দেশের আইন-কানুন, খাদ্যাভাস, ভাষা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিষয়াদি, ডিপার্চার ব্রিফিং প্রদান

অধিদপ্তর (বিএমইটি)/জেলা

১৫।

বিদেশগামী কর্মীদের ভিসার সঠিকতা যাচাইকরণ

অধিদপ্তর (বিএমইটি)/জেলা

১৬।

বিদেশগামী কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় নির্বাহে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ প্রদান

অধিদপ্তর (বিএমইটি)/জেলা

১৭।

বিদেশস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহের শ্রম উইংয়ের মাধ্যমে প্রবাসী ও অভিবাসী কর্মীদের সার্বিক সহায়তা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন

দূতাবাস/অধিদপ্তর (বিএমইটি)/জেলা

১৮।

অভিবাসী আইন, অভিবাসীর অধিকার ও মর্যাদা সন্মন্ধে প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ  

অধিদপ্তর (বিএমইটি)/জেলা

সিটিজেন চার্টার

১।         অন লাইনে বিদেশগামী কর্মীদের নাম নিবন্ধনঃ

            অন লাইনে বিদেশগামী কর্মীদের নাম নিবন্ধনের জন্য নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

            পূরণকৃত নির্ধারিত আবেদন ফরম,পাসপোর্ট সাইজের ০২ কপি রঙ্গিন সত্যায়িত ছবি, পাসপোর্ট/ভিসার ফটোকপি

            ( যদি থাকে),নাগরিকত্ব/জাতীয় সনদপত্রের ফটোকপি,শিক্ষাগত যোগ্যতা/অভিঞ্জতা সনদের ফটোকপি( যদি থাকে),

            মহাপরিচালক, জনশক্তি,কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো,ঢাকা এর অনুকূলে সোনালী ব্যাংক,আর.এন.রোড শাখা,

            যশোর হতে ১৫০/- ( একশত পঞ্চাশ) টাকার পে-অর্ডার ।

           

২।         বিদেশে মৃত কর্মীদের লাশ দেশে আনা ও দাফন খরচ  প্রদানঃ

            বিদেশে মৃত্যুবরণকারী কর্মীর মৃতদেহ সংশ্লিষ্ট দেশে অথবা নিজ দেশে দাফনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। নিজ দেশে

            লাশ আনায়ন ও দাফনের  ক্ষেত্রে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি  অফিস হতে ৩৫,০০০/- ( পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা

            আর্থিকঅনুদান প্রদান । সাহায্যের জন্যনিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দিতে হয়ঃ

            আবেদন,মূল পাসপোর্ট, ডেথসার্টিফিকেট,এয়ারওয়েজ বিল,উত্তরাধিকার সনদ,চেয়ারম্যান সনদ ও সত্যায়িত ছবি।

            বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, ঢাকা হতেও লাশ পরিবহন এ দাফন

            বাবদ ৩৫,০০০/- ( পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

            এক্ষেত্রে ওয়ারিশ সনদ ও চেক গ্রহণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির (চেয়ারম্যান কর্তৃক) সত্যায়িত  ছবি  বিমান বন্দর হতে

            লাশ গ্রহণের সময়  জমা দিতে হয়।

 

৩।         বিদেশে  মৃত  কর্মীদের আর্থিক  অনুদান প্রদানঃ

জনশক্তি,কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ওয়েজআর্নার্স কল্যাণ তহবিল হতে  মৃতের উত্তরাধিকারীগণকে ৩,০০,০০০/- ( তিন লক্ষ) টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান।এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত কাগজপত্র  জমা দিতে হয়ঃ

            আবেদন,মৃতের মূল পাসপোর্ট, ডেথসার্টিফিকেট,উত্তরাধিকার সনদ,ইনডেমনিটি বণ্ড,ক্ষমতাঅর্পণ পত্র(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে),

            ফারায়েজনামা, অভিভাবকত্ব সনদ ( প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) চেয়ারম্যান সনদ ও সত্যায়িত ছবি।

 

৪।         বিদেশে মৃত বাংলাদেশী কর্মীদের ক্ষতিপূরণ আদায়ঃ

            সংশ্লিষ্ট  নিয়োগকর্তার নিকট হতে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ/বকেয়া পাওনা/ইন্স্যুরেন্স/সার্ভিস বেনিফিট আদায়ের লক্ষ্যে

            দূতাবাসের মাধ্যমে মামলা পরিচালনা করা হয়। মামলা পরিচালনার জন্য নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

            আবেদন,মৃতের মূল পাসপোর্ট, ডেথসার্টিফিকেট, উত্তরাধিকার সনদ, ফারায়েজনামা, অভিভাবকত্ব সনদ ( প্রযোজ্য

           ক্ষেত্রে) চেয়ারম্যান সনদ, এইচ ফরম,FASফরম সত্যায়িত ছবি ইত্যাদি ।

 

৫।         প্রত্যাবর্তন  ও পূণর্বাসনঃ

            ক) বিদেশে বিপদগ্রস্থ, আহত ও জেলখানায় আটক ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে আনা ।

খ) বিদেশ হতে আহত ও অসুস্থ প্রত্যাবর্তনকারীকর্মীদের ওয়েজআর্নার্স কল্যাণ তহবিল হতে ১,০০,০০০/- ( এক লক্ষ) টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান ।

গ) প্রবাসী কর্মীর মেধাবী ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান ।

 

৬।         অভিযোগ দায়েরঃ

            ক) অভিবাসন সংক্রান্ত  অভিযোগ অনলাইনে দাখিলকরণ।

            খ) স্থানীয় অবৈধ জনশক্তি রপ্তানী কারকদের বিরুদ্দে বিভাগীয় শ্রম আদালত,খুলনায় মামলা দায়ের।

 

৭।         ভিসা চেকঃ

            সিঙ্গাপুর,দুবাই, বাহরাইন ও কাতার ।

তথ্য অধিকার

বিজ্ঞপ্তি

ডাউনলোড

আইন ও সার্কুলার